🔴 গ্লোবাল এনার্জি ইমার্জেন্সি
হরমুজ প্রণালী অবরোধের ২৬তম দিনে
বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ সংকট
বৈশ্বিক তেল সরবরাহের ২০% বন্ধ | প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজার থেকে হারিয়ে গেছে
২০%
বৈশ্বিক সরবরাহ বন্ধ
৮M
ব্যারেল/দিন হারাচ্ছে
২৬
দিন অবরোধ
🌊 হরমুজ প্রণালী অবরোধের ২৬তম দিনে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই অবরোধের কারণে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ বন্ধ হয়ে গেছে এবং প্রতিদিন প্রায় ৮ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজার থেকে হারিয়ে গেছে। বিভিন্ন দেশের পরিস্থিতি যে তথ্য সামনে এসেছে তা নিচে তুলে ধরা হলো।
২০%
বৈশ্বিক তেল সরবরাহ হারিয়েছে
৮M
ব্যারেল/দিন বাজারচ্যুত
১৩+
দেশে তীব্র সংকট
🗺️ দেশভিত্তিক পরিস্থিতি
🇱🇰 শ্রীলঙ্কা
জ্বালানি রেশনিং চালু হয়েছে। চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করা হয়েছে এবং স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।🔴 তীব্র সংকট
🇵🇰 পাকিস্তান
তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। হঠাৎ করে তেলের দাম বেড়েছে, পাম্পে দীর্ঘ লাইন। চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু হয়েছে।🔴 তীব্র সংকট
🇮🇳 ভারত
মাত্র ৯ দিনের তেল মজুদ অবশিষ্ট আছে বলে দাবি করা হচ্ছে। জরুরি সরবরাহের জন্য নতুন উৎস খোঁজা হচ্ছে।🔴 জরুরি অবস্থা
🇰🇷 দক্ষিণ কোরিয়া
প্রায় ৫০ দিনের তেল মজুদ রয়েছে। সরকার পর্যবেক্ষণে রাখছে।🟠 সতর্ক পর্যায়
🇯🇵 জাপান
সরকার ২৫৪ দিনের মজুদের কথা বললেও বাস্তবে ব্যবহারযোগ্য মজুদ প্রায় ৯৫ দিন বলে দাবি করা হচ্ছে।🟠 সতর্ক পর্যায়
🇬🇧 যুক্তরাজ্য
শেল কোম্পানির প্রধান সতর্ক করেছেন, এপ্রিল থেকে জ্বালানি ঘাটতি শুরু হতে পারে।🟠 প্রস্তুতি পর্যায়
🇩🇪 জার্মানি
গ্যাসের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন জরুরি পরিকল্পনা চালু করেছে।🟠 মূল্যস্ফীতি চরমে
🇫🇷 ফ্রান্স
আট সপ্তাহ আগের তুলনায় পাম্পে জ্বালানির দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি।🟠 উচ্চ মূল্য
🇿🇦 দক্ষিণ আফ্রিকা
সরকার পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল বললেও নাগরিকরা খালি পাম্পের ছবি প্রকাশ করছে।🟠 সরবরাহ ব্যাহত
🇹🇷 তুরস্ক
জ্বালানি মজুদ কমে গেছে, মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।🟠 অর্থনৈতিক চাপ
🇧🇷 ব্রাজিল
দেশটি নিজস্ব তেল উৎপাদন করলেও সরবরাহ চেইনের সমস্যার কারণে পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক রয়েছে।🟠 সতর্ক অবস্থা
🇦🇺 অস্ট্রেলিয়া
তেলবাহী জাহাজ দেরিতে পৌঁছাচ্ছে। আমদানিনির্ভর হওয়ায় দেশটি আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার সমন্বয়ের ওপর নির্ভর করছে।🟠 সরবরাহ বিলম্ব
🇺🇸 যুক্তরাষ্ট্র
কিছু অঙ্গরাজ্যে গ্যাস ট্যাক্স সাময়িকভাবে স্থগিত। কৌশলগত তেল মজুদ থেকে তেল ব্যবহার করা হচ্ছে এবং ইরানের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা নীরবে শিথিল করা হয়েছে।🟠 কৌশলগত মজুদ খোলা
🇨🇳 চীন
প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুদ করেছে। তেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে, তবে এখনও ইরান থেকে তেল নিচ্ছে।🟢 মজুদ সুরক্ষিত
🛢️ ওপেকের ঘোষণা
+২,০৬,০০০ ব্যারেল/দিন
তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট OPEC উৎপাদন মাত্র ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, যা হারিয়ে যাওয়া সরবরাহের মাত্র প্রায় ২ শতাংশ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সামান্য বৃদ্ধি সংকট কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
📊 বিশ্বব্যাংকের সতর্কতা
হরমুজ প্রণালী অবরোধ দীর্ঘায়িত হলে আগামী তিন মাসের মধ্যে অনেক উন্নয়নশীল দেশ জ্বালানি সংকটের চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ইতিমধ্যে তেল আমদানিকারক দেশগুলোকে জরুরি সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
📌 সূত্র: আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA) | ওপেক | বিবিসি | রয়টার্স | দেশীয় জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন
সংকলন ও বিশ্লেষণ
@SorwarAlam
গ্লোবাল এনার্জি ক্রাইসিস মনিটর
প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬ | সর্বশেষ হালনাগাদ: ২৮ মার্চ ২০২৬
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | @SorwarAlam
0 Comments