Advertisement

Responsive Advertisement

“হোটেলে বসে যুদ্ধ করছে মার্কিন সেনারা!”— মধ্যপ্রাচ্যের ১৩টি ঘাঁটি বসবাসের অযোগ্য
The New York Times | বিশেষ প্রতিবেদন

“হোটেলে বসে যুদ্ধ করছে মার্কিন সেনারা!”

মধ্যপ্রাচ্যের ১৩টি ঘাঁটি বসবাসের অযোগ্য হওয়ার চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

সোর্স: নিউ ইয়র্ক টাইমস | সংকলন: Sorwar Alam
২৭ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬
✍️ রিপোর্ট: @SorwarAlam
১৩
ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন ঘাঁটি
নিহত মার্কিন সেনা (পোর্ট শুয়াইবা)
$৮০০M
ক্ষয়ক্ষতি (প্রথম দুই সপ্তাহ)
হাজার
সেনা হোটেলে আশ্রয় নিয়েছেন

📰 নিউ ইয়র্ক টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন

ইরানের মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার অন্তত ১৩টি সামরিক ঘাঁটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, অনেক ঘাঁটি এখন ‘বসবাসের অযোগ্য’ হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে হাজার হাজার মার্কিন সেনাকে ঘাঁটি ছেড়ে বিভিন্ন শহরের হোটেল এবং অস্থায়ী অফিসে আশ্রয় নিতে হয়েছে।

🎮 রিমোট কন্ট্রোল যুদ্ধ

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের স্থলভিত্তিক মার্কিন বাহিনীর বড় একটি অংশ মূলত 'রিমোটলি' যুদ্ধ পরিচালনা করছে। পাইলট এবং ক্রু বাদে বাকিদের ঘাঁটি থেকে সরিয়ে নিরাপদ দূরত্বে (হোটেল বা কমার্শিয়াল স্পেস) রাখা হয়েছে।

🇰🇼

কুয়েতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটি

আলি আল-সালেম, ক্যাম্প বিউরিং এবং পোর্ট শুয়াইবা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পোর্ট শুয়াইবায় হামলায় ৬ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং একটি ট্যাকটিক্যাল অপারেশন সেন্টার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

🇶🇦🇸🇦

কাতার ও সৌদি আরবের ঘাঁটিতে কৌশলগত ক্ষয়ক্ষতি

কাতার (আল-উদাইদ) এবং সৌদি আরবের (প্রিন্স সুলতান) ঘাঁটির আর্লি-ওয়ার্নিং রাডার, জ্বালানি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্যাটেলাইট ইমেজে এসব ঘাঁটিতে বড় বড় গর্ত ও ধ্বংসাবশেষের চিহ্ন স্পষ্ট।

💰

আর্থিক ক্ষতি

যুদ্ধের প্রথম দুই সপ্তাহেই মার্কিন ঘাঁটিগুলোর প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

🇺🇸

পেন্টাগনের সীমাবদ্ধতা

অবসরপ্রাপ্ত মাস্টার সার্জেন্ট ওয়েস জে. ব্রায়ান্ট সতর্ক করেছেন যে, সব সরঞ্জাম তো আর হোটেলের ছাদে বসানো সম্ভব নয়; ফলে ঘাঁটির বাইরে অপারেশন পরিচালনা করায় মার্কিন বাহিনীর সক্ষমতা কিছুটা হলেও কমছে।

🛡️ মানবঢালের অভিযোগ

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দাবি করেছেন, মার্কিন সেনারা হোটেলগুলোতে লুকিয়ে মূলত সাধারণ নাগরিকদের ‘হিউম্যান শিল্ড’ বা মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।

🇮🇷 আইআরজিসি-র তৎপরতা

ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড (IRGC) ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানিয়েছে যে, তারা যেন মার্কিন সেনাদের বর্তমান লুকিয়ে থাকার জায়গাগুলো (হোটেল/অফিস) খুঁজে বের করে টেলিগ্রামের মাধ্যমে তাদের তথ্য দেয়।

📍 সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিসমূহ

  • কুয়েত: আলি আল-সালেম, ক্যাম্প বিউরিং, পোর্ট শুয়াইবা (৬ সেনা নিহত, অপারেশন সেন্টার ধ্বংস)
  • কাতার: আল-উদাইদ (আর্লি-ওয়ার্নিং রাডার ও জ্বালানি ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত)
  • সৌদি আরব: প্রিন্স সুলতান (যোগাযোগ ব্যবস্থা ও রাডার ক্ষতিগ্রস্ত)

🛰️ স্যাটেলাইট ইমেজের প্রমাণ

স্যাটেলাইট ইমেজে এসব ঘাঁটিতে বড় বড় গর্ত ও ধংসাবশেষের চিহ্ন স্পষ্ট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চরম দুর্বলতার মুখে ফেলেছে।

📌 সূত্রসমূহ

দ্যা নিউ ইয়র্ক টাইমস | স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ | পেন্টাগন সূত্র | (hn)

✍️ সংকলন ও বিশ্লেষণ

@SorwarAlam

📌 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Post a Comment

0 Comments