Advertisement

Responsive Advertisement

 Sorwar Alam:

#BREAKING "যুদ্ধ বিরতি হচ্ছে আজই: দাবি পাকিস্তানি/মার্কিনী সোর্সের, কিন্তু ইরান বলছে ভিন্ন কথা!" 


(পাকিস্তানের অথবা মার্কিনী) বেনামি কর্মকর্তাদের উদ্বৃত্তি দিয়ে রয়টার্স জানায়:


- ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ বন্ধে উভয় পক্ষকে পাকিস্তান একটা প্রস্তাব দিয়েছে 


প্রস্তাব অনুযায়ী প্রথমে যুদ্ধ বিরতি পরে শান্তি চুক্তি হবে। 


সে অনুযায়ী সোমবার থেকেই যুদ্ধ বিরতি শুরু হবে। সাথে সাথে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। 


২৫ দিনের মধ্যে ইরানের পরমাণু এবং মিসাইল নিয়ে আলোচনা হবে এবং একটা স্থায়ী শান্তি চুক্তি হবে। 


অদিকে ইরানের কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানান: 


ইরান পাকিস্তানের প্রস্তাবটি পেয়েছে এবং তা পর্যালোচনা করছে; তবে তারা কোনো সময়সীমা বা কোন চাপ মেনে নেবে না।


তেহরান সাময়িক যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলবে না। ইরান একটা যুদ্ধ বিরতি নয় বরং একটা স্থায়ী শান্তি চুক্তি চায়।


* মার্কিন বাহিনীর এক উদ্ধার অভিযানে ১২টি সামরিক বিমান ধ্বংস হয়েছে বলে ইরানি সামরিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।


* তাসনিম নিউজ এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী, এর মধ্যে দুটি সি-১৩০ (C-130) পরিবহন বিমান, চারটি লিটল বার্ড (Little Bird) হেলিকপ্টার, চারটি ব্ল্যাক হক (Black Hawk) এবং দুটি এমকিউ-৯ (MQ-9) ড্রোন রয়েছে।


* সংবাদ সংস্থাটি এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি "চরম সামরিক ব্যর্থতা" হিসেবে উল্লেখ করেছে।


— স্পুটনিক ইন্টারন্যাশনাল 

(hn) @SorwarAlam


#BREAKING

 যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাতামি নিহত হয়েছেন


— IRGC-এর বিবৃতি উদ্ধৃত করে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম।


* "নিরাপত্তা হয় সবার জন্য থাকবে, নয়তো কারো জন্যই থাকবে না।" - ইরাকের কাতায়েব হিজবুল্লাহর সেক্রেটারি জেনারেল আবু হোসেন আল-হামিদাউই সতর্ক করে বলেছেন এই কথা।


 * হামিদাউই দাবি করেছেন যে, যুদ্ধের পাঁচ সপ্তাহের মধ্যেই শত্রু জোট বর্তমানে পূর্ণ পশ্চাদপসরণে রয়েছে এবং প্রতিরোধ অক্ষের ক্রমাগত আঘাতে তাদের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো ভেঙে পড়ছে।


— প্রেস টিভি

(hn) @SorwarAlam


সারসংক্ষেপ :


* সোমবারের মধ্যে একটি পরিকল্পনায় সমঝোতা হতে পারে

* দুই ধাপের চুক্তি: প্রথমে যুদ্ধবিরতি, পরে চূড়ান্ত সমঝোতা

* যুদ্ধবিরতি হলে দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলে যেতে পারে

* ১৫–২০ দিনের মধ্যে বড় চুক্তি—পারমাণবিক সীমাবদ্ধতা ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে

* চুক্তির সম্ভাব্য নাম: “ইসলামাবাদ অ্যাকর্ড”


মুল খবর — ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সোমবার থেকেই কার্যকর হয়ে চলমান যুদ্ধ বন্ধ করতে পারে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার পথ তৈরি করতে পারে, রয়টার্সকে এমনটাই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।


সূত্রটি জানায়, পাকিস্তান একটি প্রস্তাব তৈরি করে তা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শেয়ার করেছে। এতে দুই ধাপের প্রস্তাব রয়েছে—প্রথমে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, এরপর একটি বিস্তৃত চুক্তি।


সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক সমঝোতাটি আজকেই স্বাক্ষর হবে।এটি হবে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) আকারে, যা পাকিস্তানের মাধ্যমে ইলেকট্রনিকভাবে চূড়ান্ত করা হবে। এই আলোচনায় পাকিস্তানই একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।


প্রস্তাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে সঙ্গে সঙ্গেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হতে পারে এবং ১৫–২০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ সমঝোতায় পৌছার সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে। এই সম্ভাব্য চুক্তির নাম হবে “ইসলামাবাদ অ্যাকর্ড”। এই চুক্তিতে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে একটি আঞ্চলিক কাঠামোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।


পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে উভয় পক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সরাসরি বৈঠকের মাধ্যমে চূড়ান্ত আলোচনাটি হতে পারে।


সূত্র আরও জানায়, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির গতকাল সারারাত যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।


এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবিও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।


এর আগে ইরানি কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তারা স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চান। তবে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা দিতে হবে। পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিসরসহ বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর কাছ থেকে তেহরান বার্তা পেয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেছেন।


চূড়ান্ত চুক্তিতে ইরানের পক্ষ থেকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি না এগোনোর অঙ্গীকার থাকতে পারে, যার বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং জব্দকৃত সম্পদ মুক্তির বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে সূত্র জানিয়েছে।


তবে দুটি পাকিস্তানি সূত্র জানায়, তীব্র কূটনৈতিক তৎপরতা সত্ত্বেও ইরান এখনো কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি।


ওদিকে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস গতকাল রবিবার জানায়, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা ৪৫ দিনের একটা সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করছে।এতে দুই ধাপের চুক্তির বিষয়ে বলা হয়। এটা যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তির পথ তৈরি করতে পারে। মার্কিন, ইসরায়েলি এবং আঞ্চলিক সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানায় গণমাধ্যমটি।


এই কূটনৈতিক উদ্যোগ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন চলমান উত্তেজনা বৈশ্বিক তেল সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হস্তক্ষেপে নৌচলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে , ফলে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।


পাকিস্তানের প্রস্তাবিত এই দুই-ধাপের চুক্তিটা এরকম :


১) প্রথম ধাপ


*স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে

*হরমুজ প্রণালি তাৎক্ষণিকভাবে খুলে দেওয়া হবে


২) দ্বিতীয় ধাপ (১৫–২০ দিন)


* একটি চূড়ান্ত বিস্তৃত শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা

* সম্ভাব্য নাম: “ইসলামাবাদ অ্যাকর্ড”


* চূড়ান্ত চুক্তিতে যা থাকতে পারে:


ইরান পারমাণবিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধতা মেনে নেবে (অস্ত্র উন্নয়ন নয়)


বিনিময়ে:


* ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে 

* জব্দকৃত ইরানের সম্পদ ছেড়ে দেওয়া হবে 

* হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তৃত আঞ্চলিক কাঠামো গঠন করা হবে


- সূত্র রয়টার্স


প্রশ্ন:

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার জন্য কি কোনো নতুন পরিকল্পনা আছে? এই প্রশ্নটি আজকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে করা হয়। 


উত্তর:


উত্তরে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়ি বলেন, 


আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ করার জন্য নতুন কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আলটিমেটাম, অপরাধ এবং হুমকির সঙ্গে কোনোভাবেই আলোচনা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।”


এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কথিত ১৫ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করা হলে ইরান তখন স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে এসব প্রস্তাব “অত্যন্ত বাড়াবাড়ি, অযৌক্তিক এবং অগ্রহণযোগ্য।”


তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের স্বার্থ বিবেচনার ভিত্তিতে নিজস্ব দাবি ও প্রস্তাব তৈরি করেছি। আমাদের যৌক্তিক ও বৈধ দাবিগুলো প্রকাশ করতে আমরা লজ্জা পাই না।”


বাঘায়ি যোগ করেন, ইরানের অবস্থান “দ্রুত ও দৃঢ়ভাবে” তুলে ধরাকে পিছু হটা হিসেবে দেখা উচিত নয়। প্রয়োজন হলে ইরান তাদের প্রতিক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


তিনি বলেন, ইরানের অবস্থান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে জানানো হয়েছে এবং তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান একটি স্বাভাবিক ও চলমান প্রক্রিয়া।


তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের প্রধান মনোযোগ হচ্ছে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। 


সোর্স - SNN

Post a Comment

0 Comments